ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং অনলাইন ইনকাম কি? 2022




আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ।

আমার এই ….) চ্যানেলের সকল সাবস্ক্রাইবার এবং ভিউয়ার্স ও আমার ব্লগের এবং এর বাইরের যারাই আছেন সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানিয়ে শুরু করছি আপনাদের কাঙ্খিত ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের এ টু জেড আলোচনা….

যখন আপনাদের সামনে কেউ বলে যে আমি অনলাইন থেকে ইনকাম করি কিংবা আউটসোর্সিং করে ইনকাম করি কিংবা ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করি তখন আপনাদের মাথায় (অনলাইন ইনকাম আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং)এই তিনটা জিনিস একসাথে ঘুরতে থাকে আপনারা কিছুই বুঝতে পারেন না ।এখন আমি আপনাদেরকে সেই বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলছি …

মূলত অনলাইন ইনকাম বলতে যখন আপনি ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন তখন সেই উপার্জিত অর্থ কে অনলাইন ইনকাম বলা যেতে পারে এখন আপনি এই অর্থ কোন ওয়েবসাইট থেকে বা ইউটিউব থেকেও ইনকাম করতে পারেন, ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে পারেন কিংবা যেকোন ভাবে ইনকাম করতে পারেন । তবে ইনকাম যে করা যায় এটাই হচ্ছে সত্য কথা । এরপর বলি…

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কি?

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং কে একটি মুক্ত পেশা হিসেবে বলা যায়। মুক্ত পেশায় নিয়োজিত কোন ব্যক্তির দ্বারা কোন কাজ করিয়ে নেওয়াকে বলা হয় আউটসোর্সিং।

আর যারা কাজটা করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সার।

আবার, এটাও বলা যায় যে , স্বাধীন ভাবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা সাথে কোন কাজের চাপ ছাড়া স্বাধীনভাবে এবং যে কোন জায়গায় অবস্থান করে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ করে আয় করার নাম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং।

আউটসোর্সিং এর আরেকটি সংজ্ঞা আছে,

আউটসোর্সিং হল একটি স্বাধীন ব্যবসা । কোম্পানির কোন লোক ব্যতীত অন্য একজন তৃতীয় পক্ষের দ্বারা কিছু করা এবং অনলাইনে কাজ করে অর্থ উপার্জন হবে , আর সেটা করার জন্য কখনই আপনি কোন বাধার সম্মুখীন হতে চান না।

আউটসোর্সিংএর মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এখানে অপরিচিতদের কাছ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারে । মানুষ স্বাধীনভাবে কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

প্রতিষ্ঠানের কাজ আউটসোর্সিং। এক্ষেত্রে মার্কেটপ্লেস কোম্পানি এবং ব্যক্তির মাঝখানে সমঝোতাকারী পক্ষ হিসেবে কাজ করে। যে ব্যক্তি কাজের উপর বাজি ধরে এবং কাজটি করে সে একজন স্বাধীন শ্রমিক।

যে কোম্পানি তারা বাইরে থেকে লোক নিয়োগ করে, কোম্পানির খরচ কমায় এবং কম হারে নিয়োগ দেয়। একটি চাকরি অনুসন্ধান বা মারকেতপ্লেসে সাইটের মাধ্যমে বিদেশে কাজ করার জন্য ভাল বেতনের লোকদের নিয়োগের মাধ্যমে কোম্পানির খরচ কমায়। আর এটা কেই বলে আউটসোর্সিং।

 ফ্রিল্যান্সিং কাজ কি?

এক কথায় বলতে গেলে আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী, আপনার সময় অনুযায়ী কোনো বাধ্যবাধকতাছাড়া যেকোনো স্থান থেকে একটা কাজ করে কাউকে বুঝিয়ে দেওয়া ফ্রিল্যান্সিং ।

 

  ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কি প্রয়োজন?

ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করার জন্য প্রয়োজন … আউটসোর্সিং

প্রথমঃ যে জিনিসটা যেটা আপনার লাগবেই লাগবে সেটা হচ্ছে ইন্টারনেট কানেকশন !(কারণ কাজ খোঁজার থেকে আরম্ভ করে কাজ তৈরি করে ক্লায়েন্টের কাছে জমা দেওয়া পর্যন্ত সব করতে হবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে )।

দ্বিতীয়ঃ যেটা লাগবে সেটা হল , ইন্টারনেট ব্যবহার উপযোগী একটি ডিভাইস ।সেটা মোবাইল হতে পারে, ল্যাপটপ হতে পারে বা পিসিও হতে পারে। এখন অনেকেই প্রশ্ন করবেন, মোবাইল দিয়েও কি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করা যায়?

মোবাইল দিয়েও কি ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করা যায়?

আমি তার উত্তরে বলব হ্যাঁ অনেকটাই করা যায় তবে সম্পূর্ণ না পারসেন্টেন্স হিসাব করলে ৩০%। আউটসোর্সিং

তৃতীয়তঃ আপনার স্কিলের মার্কেটিং, এক কথায় বলতে গেলে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটগুলোতে (মার্কেটপ্লেসগুলোতে) গিয়ে আপনি আপনার একাউন্ট তৈরি করবেন এবং আপনার যোগ্যতার প্রচার-প্রসার করবেন। আপনি আপনার যোগ্যতা যদি মানুষকে না জানান তাহলে কিন্তু আপনি কাজ পাবেন না ।তাই সঠিক নিয়মে আপনার স্কিলের প্রচার প্রসার মানুষের কাছে করা লাগবে ।

    ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং কঠিন না সহজ?

ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিংয়ের অনেক কাজ আছে তার মধ্যে আসলে কঠিন কাজ কোনটা আর সহজ কাজ কোনটা এইটা বলা মুশকিল।আসলে দুনিয়াতে কঠিন বলতে যেমন কোনো জিনিস নেই, আবার সহজ বলতেও তেমন কোন জিনিস নাই । আপনি যেটা মন থেকে চাইবেন সেটা অবশ্যই পারবেন এবং আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে। ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে কোনটা সহজ কোনটা কঠিন এটা আপনার উপর নির্ভর করে। এটা আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করছে আপনার জন্য কোনটা সহজ হবে কিংবা কঠিন।

 ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং কিভাবে করবেন ?

ফ্রিল্যান্সিংএ অনেক কাজ আছে । এবং প্রত্যেকটা কাজের পদ্ধতি আলাদা আলাদা। আপনার কোন কাজটি ভালো লাগে এবং আপনি কোন কাজটি শিখতে চান সেই কাজ অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে । 

 

আউটসোর্সিং এ কি কি কাজ আছে?

প্রশিদ্ধ আউটসোর্সিং এর কাজ সম্পর্কে জেনে নিন…

১. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

২. ওয়েব ডিজাইন

৩. ব্লগিং

৪.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

৫. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)

৬. কনটেন্ট রাইটিং

৭. ডাটা এন্ট্রি

৮.সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

৯.গ্রাফিক্স ডিজাইন

১০.ফটো ও ভিডিও এডিটিং… ইত্যাদি।

   

 ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন?

শেখার কয়েকটা অবস্থা হতে পারে …

১.আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে কিছুদিন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত কিছু ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন, ইউটিউবে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত কিছু ভিডিও দেখবেন এবং সেগুলো সাবস্ক্রাইব করে রাখবেন এবং ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে জয়েন হবেন।

২. আপনার পরিচিতদের মধ্যে কেউ ফ্রিল্যান্সিং করে এবং ফ্রিল্যান্সিং থেকে আয় করে বলে আপনি জানেন তার কাছ থেকে শিখে নিতে পারেন।

3. আপনি কোন ব্লগ বা বই পড়েও কিছু জিনিস শিখতে পারেন যা ইউটিউব ভিডিও টিউটোরিয়ালে খুব কাজে লাগবে।

4. বিশ্বস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পেইড কোর্স কিনে যেখান থেকে আপনাকে সাপোর্ট দিবে অথবা বিশ্বস্ত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে সরাসরি বা অনলাইনে কোর্স করার মাধ্যমে।

কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছ থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে শেখার আগে আপনাকে সংগঠন বা ব্যক্তি সম্পর্কে জানতে হবে। তার প্রোফাইল এবং পোস্ট চেক করুন। তার কমেন্টস বক্সগুলোতে যাচাই করুন।

ফ্রিল্যান্সারদের কোন ভবিষ্যৎ আছে কিনা?

অনেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ের পক্ষে বলেন। কেউ কেউ বলেন, যেহেতু আয়ের কোন গ্যারান্টি নেই, এটা কতটা ভালো? তাদের অনেকেই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন, অন্যদের উৎসাহিত করেছেন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু মর্যাদার দিক থেকে, তারা কি কর্মচারীদের সমান বলে বিবেচিত? দাম্পত্য বাজারে এর মূল্য – বা কত?

সত্যি বলতে, যারা ফ্রিল্যান্সিং এই কাজের মধ্যে নিযুক্ত তাদের কোনভাবেই কর্মচারীর সাথে তুলনা করা যায় না যিনি ঘন্টা কাজ করেন। কারণ ফ্রিল্যান্স কাজ সময় সময় হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাত্রে করা লাগে। তবে তাদের স্বাধীন পেশায় কর্পোরেট জগতের কর্তৃপক্ষের কোনো চাপ নেই। কিন্তু কাজের চাপ মোটেও কম নয়।

দেশে বা বিদেশে কাজ করার সময় “আপওয়ার্ক”, “ফাইবার” বা অন্য কোন প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সময় মানের নিশ্চয়তা প্রয়োজন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা করতে হয়। আপনি যদি চাকরিতে আপনার দক্ষতা প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে আপনি ভাল বেতন পাবেন। ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে প্রচলিত চাকরির জন্য দশটির বেশি নিয়ম নেই। কিন্তু আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে নিয়ম না মানেন, তাহলে শর্টকাট সফল হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

 ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা উপার্জন করা যায় কিনা?

আজ আপনি যেখানেই তাকান না কেন, চারিদিকে সকলেই ফলাও করতেছে , ফ্রিল্যান্সিং করে এই হয়ে যাচ্ছে সেই হয়ে যাচ্ছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে যেন উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশি টিভি চ্যানেলেগুলো প্রচার প্রসার করছে। কিছু দিন পরই আপনি দেখতে পাবেন যে এই ব্যক্তি প্রতি মাসে ৩-৬ লক্ষ টাকা আয় করে শুধুমাত্র কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের সাহায্যে। এভাবেই আমাদের টিভি চ্যানেলের সংবাদদাতারা ফ্রিল্যান্সিংংয়ের রিপোর্ট করতেছে ।সমাজের অর্ধেক যুবকই বেকার । তারাাও ইন্টারনেট থেকে অর্থ উপার্জন করতে চায়। এমন পরিস্থিতিতে, পরিবারের ওপর চাপ পড়়ে একটি ব্যয়বহুল মূল্যে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ কেনার। তার চোখে বড় অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন। যাইহোক, তারা জানে না এই পৃথিবী কেমন এবং কে এখান থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারে ? কিভাবে অর্থ উপার্জনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হয় ? এটা তাদের কাছে সম্পূর্ণ অজানা।

এরপর যা হয় তা হল ফ্রিল্যান্সিং শেখার জন্য কোন যাচাই-বাছাই না করেই যে কোনো ইনস্টিটিউট গ্রহণ করে বসে।

বাংলাদেশ থেকে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় কিনা?

শুধু বাংলাদেশ না বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে যেকোন স্থান থেকেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। যদি আপনার কাছে ফ্রিল্যান্সিং করার যন্ত্র এবং আপনার ফ্রিল্যান্সিং করার অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা থাকে।

   ফ্রিল্যান্সিং করার লাভ কি ?

কেন আপনার ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং করা উচিত এতে লাভ কি জানেন?

১.চাহিদা পূরণ।

একজনখুব সহজে তার চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজন মেটাতে পারেন । ধরুন আপনার একজন ওয়েব ডিজাইনার প্রয়োজন এবং আপনি এমন একজন ডিজাইনার চান যে ডিজাইন সেক্টরে দক্ষ । ডিজাইন নিয়ে নিজস্ব ক্রিয়েটিভি আছে। তো আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে এটা প্রচার করতে পারলেই , ক্রিয়েটিভ ডিজাইনার খুব সহজেই পেয়ে যাবেন।

২.কাজ ও সময় ।

সবচেয়ে বড় কথা হল আপনি আপনার সময় অনুযায়ী কাজগুলো করিয়ে নিতে পারবেন। যখন আপনি মার্কেটপ্লেসে জব পাবলিশ করবেন তখন আপনার ঠিক করা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই কাজ বুঝে নিতে পারবেন। আবার অনেক সময়ে এমনও হবে , আপনি যে নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করবেন তার আগেও আপনার কাজ হাতে পেয়ে যাবেন।

৩. যাচাই-বাছাই ।

আপনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করার যথেষ্ট সুযোগ পাবেন। ধরুন আপনার কিছু ফটো ও ভিডিও কাউকে দিয়ে এডিট করাবেন, তো আপনি যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেন, যাকে আপনি কাজটা দিবেন সে আসলে ফটো বা ভিডিও এডিট করতে পারে কিনা? আগে কখনো করেছে কিনা? করলে কেমন করে করে?

৪. বাধ্যবাধকতা নেই এবং অর্থ বিনিময় সহজ।

বিশেষ করে এই সেক্টরে কিন্তু আপনি নিজেই আপনার সব অর্থাৎ এখানে কেউ আপনাকে বাধা দিবেনা। আপনিই আপনার বস। তাই এখানে এমন কেউ নেই এবং থাকবেও না। তাই আপনার কাজ করার বিনিময়ে আপনি আসলে কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে প্রস্তুত তা আপনি নিজে থেকেই সিলেট করতে পারবেন।

 

ফ্রিল্যান্সিং করলে ক্ষতি কি?

সব সময় যে সবকিছুর মধ্যেই লাভ হবে তা কিন্তু নয়, তার মধ্যে 100% লাভ থাকলেও অনেক সময় তার থেকেও ক্ষতি হয়ে যায়। কেন হয় ? কারণ , আমাদের অসতর্কতার কারণে অনভিজ্ঞতার কারণে। কেউ যদি কোন বিষয়ে অভিজ্ঞ হয় তাহলে সেখানে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলেও তারা সব সময় সেখান থেকে লাভবানই হয়।

 ফ্রিল্যান্সিং সবাই করতে পারবে কিনা ?

একটু নলেজ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্মার্ট পরিশ্রম করার যোগ্যতা দরকার। একজন ফ্রিল্যান্সার আসলে কি করে অনলাইন থেকে ইনকাম করার জন্য প্রথমে কোন একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে এরপর সেই দক্ষতার জিরো থেকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে থেকে ইনকাম করেই হিরো হয় । আর একটু চেষ্টা করলেই এমন হিরো আপনারাও হতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করতে কতটুকু কি শেখা প্রয়োজন ?

ততটুকুই শেখা প্রয়োজন এবং যতটুকুই শিখবেন এমন ভাবে শিখবেন যেন আপনি ওই কাজটা নির্ভয়ে আরো কে শেখাতে পারবেন এবং কোন ভুল ছাড়া কাজটা করে দিতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্স কাজের জন্য যেই বিষয়গুলো শেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ…

১. ইংরেজিতে কথা বলা ,

২. ইংরেজিতে লেখা ,

3. তার সাথে বর্তমান আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কেও জ্ঞান রাখা।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনি গুগল ট্রান্সলেট ব্যবহার করে খুব সহজেই কাজটি করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কোথা থেকে শেখা প্রয়োজন ?

দক্ষ যে কোন ব্যক্তি এবং বিশ্বস্ত যে কোন প্রতিষ্ঠান থেকেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন।

দক্ষ ফ্রিল্যান্সার কে?

একটা কথা বলি , আপনি যদি সমস্ত কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করতে চান , তারপর এমনও হতে পারে যে শেষে একটিও শিখতে পারলেন না তাই আমি সবাইকে সাজেস্ট করব, উপরের যোগ্যতা গুলোর মধ্য থেকে যে কোন একটি যোগ্যতাকে বেছে নিন এবং সেগুলো নিয়ে গবেষণা করতে থাকুন এবং সেগুলো অনুশীলন করতে থাকুন…! আপনিও হতে পারবেন একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার।

 কিভাবে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হতে হয় ?

কোন কাজেই কেউ প্রথম থেকেই দক্ষ থাকেনা।আস্তে আস্তে কাজ করতে করতে, কিছু সঠিক – কিছু ভুল করতে-করতে , শিখতে-শিখতে একসময় দক্ষ হয়ে যায়। ধৈর্য ধরে কাজ করতে থাকলে , পরিশ্রম করতে থাকলে সফলতা আপনার হাতেই ধরা দিবে ।

ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কত টাকা লাগে?

ফ্রিল্যান্সিং শেখার বেশ কয়েকটা ধাপ । যেগুলো সম্পর্কে আমি ওপরে আলোচনা করেছি। এরপর আমি আরেকটা জিনিস বলব সেটা হল সস্তায় অপরিচিত কোন মার্কেটপ্লেস থেকে কোন কোর্স লিংক ১০০,৫০০৳দিয়ে কিনতে যাবেন না এবং কোর্সও করতে যাবেন না।

যখন আপনি কাজ করতে গিয়ে কোথাও আটকে যাবেন এবং সাহায্য করার পাশে কাউকে পাবেন না, তখন কাজটাআপনি যেভাবে শেখার দরকার ওইভাবে শিখতে পারবেন না এবং পরবর্তীতে আপনি কাজ করার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলবেন। আর যারা কাজ করে তাদের ওপর খারাপ ধারণা আসতে পারে। কিন্তু আপনি যদি ভালো কিছু শিখতে চান এবং ভালো সাপোর্ট পেতে চান তাহলে ভালো কোন প্রতিষ্ঠান থেকে শিখতে পারেন। এছাড়াও আমার ইউটিউব চ্যানেল থেকে আপনি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে অনেক ভিডিও পাবেন। YouTube Channel Name: websoriful

ফ্রিল্যান্সিং শিখতে কতদিন সময় লাগে?

ফ্রিল্যান্সিং হলো একটি পেশা, এটাকে শেখা যায় না। বরং ফ্রীল্যান্সার হতে গেলে কত দিন সময় লাগবে, এই প্রশ্নটা করা যায়। তবে আপনি কোন বিষয়ের ফ্রিল্যান্সার হবেন এবং সেটার জন্য আপনি কি পরিমানে সময় দিতে পারবেন এবং সেটা আপনি কতটুকু শিখবেন এবং কোথা থেকে শিখবেন? যদি কোন কোর্স করে শিখতে চান তাহলে সেই কোর্সেস মেয়াদের উপর নির্ভর করে আপনার শেখা। আর সবচেয়ে বড় কথা হল শেখার কোন শেষ নেই। ফ্রিল্যান্সিং করে আপনি তুলনামূলকভাবে অনেকটা চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন । ভাই আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চান, তাহলে আপনি ধৈর্য ধরুন। এক দুই রাত, দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ, একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ উপার্জন করতে পারেনা ।

তার পরেও আমি আপনাকে বলব , যে বিষয়টির উপরে আপনার আগ্রহ সেই বিষয়টা শেখার জন্য পরিপূর্ণ ৩ মাস মন প্রাণ দিয়ে সেটা শেখার জন্য কষ্ট করতে থাকুন ।

 ফ্রিল্যান্সিং করে কোথায় টাকা পাব?

আপনি যে মার্কেটপ্লেসে যার কাজ করে দেবেন, মার্কেটপ্লেস তার থেকে আপনার কাজের Dollar / টাকা আপনার একাউন্টে জমা করে দেবে ।

একটি কথা না বললেই নয় সেটি হলো আপনার যদি যোগ্যতা থাকে তাহলে শুধু অনলাইন মার্কেটপ্লেসেই না আপনি অফলাইনে ও প্রচুর কাজ পাবেন যোগ্যতা থাকলে আপনি যদি বনে গিয়েও বসে থাকেন তো বন থেকে এনে আপনাকে আপনার যোগ্য স্থানে বসানো হবেই । তাই আমি বলতে চাই অনলাইন বা অফলাইনে দুটি ক্ষেত্রেই আউটসোর্সিংয়ের প্রচুর চাহিদা আছে। আপনি ক্যারিয়ার গড়ুন আপনার জন্য ইনকামের অভাব হবে না ।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ কোথায় পাবো?

আপনার জন্য আমার পক্ষ থেকে , এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হল – কাজ শুরুর আগে ফ্রিল্যান্সিং সাইটে যে ধরনের কাজ করা হচ্ছে সেগুলো সম্পর্কে রিচার্জ করুন। একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন, একটি দুর্দান্ত প্রোফাইল তৈরি করুন। আপনার নিজের কাজগুলোর নমুনা ও মডেল তৈরি করুন। ওই কাজগুলোর সাথে আপনার কাজ গুলো ঠিক মতন হচ্ছে কিনা , পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার দক্ষতা পরীক্ষা করুন। কাজের জন্য আপওয়ার্ক, ফাইবার ও ফ্রিল্যান্সার এর মতো সুপরিচিত সাইটগুলিতে অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন

আগে সাইটের কাজের সাথে মিলিয়ে আপনার দক্ষতা অনুশীলন করুন। আগে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন করুন। যদি আপনার দক্ষতা না থাকে, প্রথমে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করবেন না। কাজে দক্ষ হোন, তারপর সেখান থেকে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করুন।

 ফ্রিল্যান্সিং কাজ কোথায় করতে হয় ?

এতক্ষণের আলোচনায় দ্বারা খুব ভালোভাবেই হয়তো আপনারা বুঝতে পেরেছেন যে, ফ্রিল্যান্সিং কোথায় করতে হবে। হয়তো কোনো মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অথবা আপনি বাইরে থেকেও নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী, কাজ খুঁজে-খুঁজে কাজের মালিকদের কাছে আপনার যোগ্যতা ফুটিয়ে তুলেও কাজ নিতে পারবেন।

দক্ষতা অর্জনের পর শুধু মার্কেটপ্লেস থেকেও না, মার্কেটপ্লেসের বাইরে অফলাইন থেকেও আপনি অনেক কাজ পাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস কি?

ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হল এমন অনলাইন ওয়েবসাইট যেখানে ক্রেতারা আসেন দক্ষ লোক বা ফ্রিল্যান্সারদের খুঁজতে, তাদের কাজ করানোর জন্য। আর, যারা ফ্রিল্যান্সার তারা এই সাইটে প্রবেশ করে কাজ খুঁজতে। যারা ক্রেতা তারা তাদের পছন্দমতো যোগ্য মানুষ খুঁজে নিতে পারেন আর যারা ফ্রিল্যান্সার তারা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ খুঁজে নিতে পারেন। সেটাই হলো মার্কেটপ্লেস । এ বিষয়ে বিস্তারিত আরও আলোচনা করা হবে। ইনশাআল্লাহ।

 ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য কোথায় একাউন্ট করব?

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে অনেক মার্কেটপ্লেসের মধ্য থেকে আপনাদের জন্য জনপ্রিয় কিছু মার্কেটপ্লেসের নাম দিয়ে দেয়া হলো…

1. Fiverr

2. Upwork

3. people per hour

4. Crowd

5 99 Designs

6. writer access

7. Freelancer

ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করার পর টাকা কিভাবে আমার পর্যন্ত পৌঁছাবে?

কারো কাজ করে জমা দেওয়ার পর কাজটা যদি সম্পূর্ণ ঠিক থাকে তাহলে আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউন্টে টাকা পৌঁছানোর দায়িত্ব মারকেটপ্লেসের।এরপর মার্কেটপ্লেসের একাউন্ট গুলোতে টাকা জমা হওয়ার পর ওই টাকাগুলো আপনি আপনার মোবাইল ব্যাংক কিংবা যে দেশে থাকেন সেই দেশের যে কোন ব্যাংকে ট্রানস্ফার করে পরবর্তীতে সে টাকা উঠিয়ে নিতে পারবেন ।

      আপনাদের জন্য ইতিকথা

আর একটা কথা না বললেই নয় , সেটা হলো আজকাল বাংলাদেশে হাজার হাজার আউটসোর্সিং ইনস্টিটিউট আছে। এই প্রতিষ্ঠানের ফ্রিল্যান্সিং শেখানো বেশিরভাগ প্রশিক্ষকেরই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে তেমন জ্ঞান নেই। কিছুদিন চাকরি শেখার পর, তারা বাজারে এক বা দুটি চাকরি পাওয়ার পরই আউটসোর্সিং ইনস্টিটিউট দিয়েে দেই এবং যদি আমরা গণনা করি, তাহলে দেখা যাবে যে আউটসোর্সিং ইনস্টিটিউট থেকেই বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেে। তিনি তার স্বল্প জ্ঞান দিয়ে একটি ফ্রিল্যান্সিং শিক্ষা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। এবং যুবকরা যখন এই স্বল্প জ্ঞানে র ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখে অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন দেখে, তখন তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে না। তারপর তারা তাদের সময় এবং অর্থ হারায় এবং হতাশ হয়ে পড়ে।]

ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে